অসহায় রোহিঙ্গা জাতি ও মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বিশ্বের নির্লজ্জ নীরবতা

আরাকানের আদিবাসী ঐ রোহিঙ্গা মুসলিমরা। স্বাধীন আরাকান রাজ্য এক সময় বাংলার বন্ধু ছিল। আমাদের মহাকবি আলাওলকে ওরা মূল্যায়ণ করেছিল। আজ আমরা ওদের পুড়ে যাওয়া দেখি। সাঁওতাল আর আরাকানীদের চেহারা দেখেন ভাল করে তাকিয়ে। ওরা একই রক্তধারার। ওরা একই মায়ের দুটি সন্তান। ওরাই বাঙালির নৃতাত্ত্বিক আত্মীয়। এই ভূখন্ডের আদিবাসী। আপনি সাঁওতাল নিয়ে সরব, আর রোহিঙ্গা নিয়ে নীরব। কেন হে, ভাই/বোন? এ কেমন ভন্ডামীপূর্ণ আচরণ আপনাদের?
যে পশ্চিমা বিশ্ব মানবাধীকার ইত্যাদি ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় আগ্রাসন চালায় তারা কেন মিয়ানমারের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের রক্ষায় যৌক্তিক আগ্রাসন চালায়না? হিউম্যানিট্যারিয়ান ইন্টারভেনশন কি শুধু মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রের পশ্চিমা আধিপত্যবিরোধী রাষ্ট্রনায়কের পতন ঘটানোর জন্য? সুশীলরা কি বলেন? পশ্চিমা জ্ঞানে পান্ডিত্য জাহির করা লোকগুলো কি করেন রোহিঙ্গাদের বিষয়ে? মানবতার এত বড় বিপর্যয় আধুনিক সময়ে আগে কখনো এসেছে?

জাতিসংঘ নামের অক্ষম, নপুংশক সংস্থা বাংলাদেশকে রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে বলেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, জাতিসংঘ কেন শান্তিরক্ষী বাহিনী দিয়ে রাখাইন প্রদেশে গিয়ে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিরাপত্তা দিচ্ছেনা? সাহস নেই বেীদ্ধ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কিছু করার? মিয়ানমার তো সামরিক পরাশক্তিও না যে তাকে ভয় পেতে হবে। কেন মিয়ানমারকে জাতিসংঘের সব দেশ মিলে চাপ দিচ্ছেনা? নাকি সিরিয়া, ইরাক ও ফিলিস্তিনের মত ভূরাজনৈতিক গুরুত্ত্ব আরাকান তথা রাখাইন প্রদেশের নেই বলে বিশ্ব মানবতা চুপ মেরে থাকবে? ওরা শ্বেতাঙ্গ না তাই শ্বেতাঙ্গ চোখগুলো রোহিঙ্গাদের উপর পড়বেনা?
muslim-rohingya-di-arakan-stateসেীদি আরব, কাতার মধ্যপ্রাচ্য অশান্ত করতে কাড়ি কাড়ি পেট্রোডলার খরচ করে। ঐ টাকা দিয়ে রোহিঙ্গাদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ডাক দেয়া যায়না? ওসমানীয় সাম্রাজ্যের কথা বলা তুর্কিরা কি করছে? কেন তারা চীনকে দিয়ে মিয়ানমারকে চাপ দেয়াচ্ছেনা? পাকিস্তান কী করছে? তার মিত্র চীন তো এই মিয়ানমারের সন্ত্রাসীদের পোষক। ইরান পরাশক্তি হতে চায়। তার মিত্র দেশ চীনকে সে কিছুই বলেনা এ ব্যাপারে। শুধু নিউজ করে দায় সারা আর কত দিন? এখন পর্যন্ত কয়টা দেশ মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে বা বহিষ্কার করেছে? কেউ করেনি। কারণ নিওলিবারেল স্বার্থপর পৃথিবীতে রোহিঙ্গারা কোন রাজনৈতিক প্রয়োজন পূরণ করেনা । তাই সবাই যার যার জীবন নিয়ে খুশি। আর ওদিকে ঘুর পুড়ে ছারখার হয়ে যায় রোহিঙ্গা হতভাগাদের।
যে ধোঁকাবাজ, স্বার্থান্বেষী অং সান সুকি শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছে সে কেন নীরব যখন তারই সেনাবাহিনী শত শত রোহিঙ্গাকে হত্যা করছে? এই মনুষত্য বিবর্জিত, ক্ষমতালিপ্সু সুকির নোবেল পুরষ্কারটা কেড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া উচিত। সেই ব্যাপারে অনলাইনে একটি পিটিশন দেখেছি চেইঞ্জ ডট ওআরজি তে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে মাঠে নেমে কাজ করা উচিত সকলের। শান্তিতে নোবেল পেয়ে আরামে ঘরে বসে মানুষ হত্যা দেখবে আবার নোবেল লরিয়েটও হবে তা হতে দেয়া যায়না। অবশ্য নোবেল পুরষ্কারের রাজনৈতিক অর্থনীতি আলোচনা করলে সেখানে যোগ্য লোক বাদ দিয়ে পশ্চিমা স্বার্থের এজেন্টকে পুরস্কৃত করতে দেখা যায়। যেমন ধরুন, মালালা ইউসুফ জাঈ। সেও রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে কিছু বলেনা। বারাক ওবামাও বলেনা। এমনেস্টিও বলেনা, রাশিয়াও বলেনা, চীনও বলেনা, ইউরোপীয় ইউনিয়নও বলেনা। আমি অবাক হয়ে যাই, কিভাবে অং সান সুকি শান্তিতে নোবেল পেয়েও নির্লজ্জের মত মানুষ হত্যা উপভোগ করছে বিলাসবহুল প্রাসাদে? আবার বিবিসির জনৈক সাংবাদিক মুসলমান হওয়ায় তার ব্যাপারে বাজে কথা বলতেও দ্বিধা করেনি। শান্তিতে নোবলে পেয়েছেন তিনি। ধর্ম তার কাছে গুরুত্ত্বপূর্ণ মানুষকে ভালবাসার ক্ষেত্রে।
ba029774d9cc4f188416b2605c377ea0_8মিয়ানমারের সন্ত্রাসীদের সাহস বেড়ে যাচ্ছে। এর আগে আমাদের গেীরবের বিজিবি সদস্যকে ঐ বার্মা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী হত্যা করেছে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা বাঙালি বলে বাংলাদেশের উপর দায় চাপায়। অথচ ইতিহাস বলে রাখাইন প্রদেশের আদিবাসী ঐ রোহিঙ্গা জনসমষ্টিই। এদেশে সব ইয়াবা সাপ্লাই দেয় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও সন্ত্রাসীরা । পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের সাথে তাদের যোগাযোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা যেতে পারে। আর বাংলাদেশে নিয়োজিত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে জরুরি ভিত্তিতে তলব করে রাখাইন প্রদেশে চলমান গণহত্যা বন্ধে চাপ দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে সময় আমরা এমন খারাপ সময়ে ছিলাম। তখন যেসব রাষ্ট্র বর্বর পাকিস্তানীদের চাপ প্রয়োগ করেছিল আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আজ রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে আমাদের নীরব থাকা যাবেনা। কারণ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভরণপোষণ করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের স্বার্থেই বিশ্ববিবেককে মিয়ানমারের সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে জাতিসংঘে ভরা মজলিশে ইহুদীবাদী সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানান, ঠিক সেভাবেই মিয়ানমারের সন্ত্রাসীদের ব্যাপারেও জনমত গড়ে তুলতে পারেন। আমার বিশ্বাস অং সান সুকি যে শান্তিতে নোবলে পেয়েছেন তার ভ্যালিডিটি শেষ। এই অঞ্চলে শান্তির নতুন দূত প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ইস্যুতে কাজ করে সেই ভূমিকা রাখতে পারেন।
চিন্তা করা যায়, এই আধুনিক যুগে মানুষের ঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে কেবল সে ভিন্ন জাতের বা ধর্মের বলে? কেন এখনো রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাধীন একটি রাষ্ট্র গঠনে জাতিসংঘ ভূমিকা রাখছেনা? মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষায় গঠিত ওআইসি নামের সংগঠন কি করতেছে? বড় বড় জুব্বা পরে এসিতে মিটিং করলে স্রষ্টার হাত থেকে মাফ পাবে কি ভোগবাদী বর্তমান ওআইসির নেতৃবৃন্দ?
375f82a806ad4cd39e090d350de11786_8এই শিশু তার চোখের ভাষায় নির্লজ্জ পৃথিবীর নিরবতাকে কি অপদস্থ করছেনা?
ব্রিটিশ প্রোপাগান্ডা মাধ্যম বিবিসিতে সংবাদ দেখলাম, জাতিসংঘ বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে বলেছে। জাতিসংঘকে ভুলে গেলে চলবেনা মিয়ানমারের পাঁচ লাখের মত শরণার্থীকে বাংলাদেশ আশ্রয় দেয়। সেটা আর কেউ করেনা। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ রোহিঙ্গাদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তারপরেও জাতিসংঘ চাপ দেয় কোন সাহসে বাংলাদেশকে? কিংবা ব্রিটিশ প্রোপাগান্ডা মিডিয়া বিবিসি কোন সাহসে রোহিঙ্গা নিয়ে বাংলাদেশকে জবাবদিহি করার বুদ্ধিবৃত্তিক ষড়যন্ত্র করে?
বাংলাদেশে হাতি নিয়ে কান্নাকাটি করা পত্রিকা ও তার মগজ ধোলাই খাওয়া পাঠকরা রোহিঙ্গা ইস্যুতে চুপ মেরে আছে। ভন্ড নিওলিবারেল গ্লোবালাইজেশনপন্থীরা এখন থ খেয়ে আছে । রোহিঙ্গারা মুসলমান তাই ? কি নিকৃষ্ট সিলেকটিভ হত্যাকারী মানসিকতা এদের । ধিক এই মানসিকতা প্রতি।
 
আমরা ইতিহাস জানি । স্বাধীন আরাকান দখলকারী, লুন্ঠনকারী সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশদের আমরা চিনি। এই উপমহাদেশে ভাগ করার সময় আরাকানের রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) এর সাথে যুক্ত হতে চেয়েছিল । সেটি হতে দেয়নি ব্রিটিশ লুটতরাজরা । এদেশের ব্রিটিশের পা চাটারাও অবশ্য জোর তৎপরতা চালায়নি আরাকানকে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডে যুক্ত করার। আর জিন্নাহ ভন্ডও রোহিঙ্গাদের নিয়ে একফোঁটা ভাবেনি। সুতরাং ইতিহাস কথা বললে কারো ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
রোহিঙ্গারাও মানুষ। খুব ভাল মানুষ। তবে ওদের কেউ নেই বললে ভুল হবে। ওদের সময় ও স্রষ্টা আছে। আজকের আমি যে কালকের রোহিঙ্গা না তার গ্যারান্টি দেবেন কি? এই রোহিঙ্গাদেরও তো একটি স্বাধীন ও সার্বভেীম মাতৃভূমি, রাজ্য, আবাসভূমি ছিল। আজ কিন্তু তা নেই । সুতরাং অসহায়ের পাশে দাঁড়ান । অন্ততপক্ষে একটি কথা লিখে তাদের জানান তাদের নিয়ে আপনি ভাবেন। একবিংশ শতাব্দীতে আপনার ঘরের কোণায় শুধুমাত্র বৌদ্ধ না হওয়ার কারণে একটি জাতিকে চিরতরে হত্যার নীলনকশা করছে একটি রাষ্ট্র। সেই সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় আপনার কি ভূমিকা সেটি ভবিষ্যতে প্রশ্নের সম্মুক্ষিণ হতে পারে। বিবেক কাউকে ছাড় দেবেনা। দেয়না। ইতিহাসও ছাড়েনা। ঠিকই সময় মত কথা বলে সে। সময়ের প্রয়োজনে।
a9d87c1509a14a5ca81d446baf5909a6_18পিছনে পুড়ছে বাপের ভিটা, বাড়ি। তবু জীবনটা রক্ষায় এমন মরিয়া ওরা। ফাইল ফটো।
রোহিঙ্গারাও মানুষ। মুসলমান বলে তাদের কষ্টে যদি আপনি মুখে কুলুপ আঁটেন তবে আপনি ভীষণ খারাপ লোক। আজ রোহিঙ্গা মুসলমানদের মত কালকে যে আমাদেরও কারো অত্যাচারের সামনে পড়তে হবেনা তা কেউ নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারেন? ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের শিক্ষা দেয় মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়াতে। সে কথা ভুলে যাওয়া ঠিক নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, পৃথিবী আজ দুই ভাগে বিভক্ত । শোষক ও শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে। এই শোষিতের নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে বিশ্ব দরবারে প্রভাবশালী ভূমিকা রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন অবস্থান বৃদ্ধি পাবে ছাড়া কমবেনা। জনগণেরও এই ব্যাপারে আপত্তি থাকবেনা। কারণ এই রোহিঙ্গা শোষিতদের ভাগ্যের একটি সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা হলে তা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বার্মা সীমান্তের অস্থিরতা দূর করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
মিয়ানমার রাষ্ট্র, অং সান সুকি, মিয়ানমার আর্মি, মিয়ানমার পুলিশ বিজিপি, ন্যাড়া বার্মিজ মঠকর্মী এরা সবাই শোষক। আরাকান বা রাখাইন প্রদেশের রোহিঙ্গা মুসলমানরা শোষিত, অত্যাচারিত, মজলুম, প্রলেতারিয়েত, অসহায়। রোহিঙ্গাদের সুপরিকল্পিত একটি নীল নকশার মাধ্যমে গণহত্যা করছে মিয়ানমার। সেটি আর্মিশাসিত বা কথিত গণতন্ত্রকামীশাসিত মিয়ানমার উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এথনিং ক্লিনসিং কত বর্বরভাবে মিয়ানমারের বেীদ্ধ নামের কলঙ্করা ঘটাচ্ছে সেটি জানতে ইন্টারনেট থেকে ভাইস নিউজ অন রোহিঙ্গা ও আল জাজিরা জেনোসাইড এজেন্ড অথবা হিডেন জেনোসাইড শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলো দেখতে পারেন।
কোন মানুষ কখনোই , কিছুতেই মিয়ানমার আর্মি, মিয়ানমার পুলিশ ও মিয়ানমারের সাম্প্রদায়িক মঠকর্মীদের জঘন্য জিঘাংসা এবং রাখাইন প্রদেশের অত্যাচারী রাখাইন কর্তৃক দরিদ্র, হতভাগা, অসহায় রোহিঙ্গাদের উপর রাষ্ট্রীয় মদদে আক্রমণ, খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ দেখে নিরব থাকতে পারেনা। মানব সভ্যতার ইতিহাসে রোহিঙ্গা জাতির মত এতোটা করুণ ও দুর্দশা কোন জাতির হয়নি যারা নিজের ভূখন্ডে চতুর্থ শ্রেণীর নাগরিকের মত জীবনের ভয়ে থাকে। যারা একটি স্বাধীন জাতি থেকে এখনো পরাধীনতার শৃঙ্খলে বন্দি হয়ে দখলদার জাতির রোষানলে পড়ে খুন হচ্ছে, রক্ত দিচ্ছে, পুড়ে দগ্ধ হচ্ছে। কেউ তাদের দেখার প্রয়োজনবোধ করছেনা। কি ভয়ঙ্কর করুণ ও খারাপ অবস্থা মানুষের মনুষত্যের!
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল অত্যাচারী পাকিস্তানী হানাদারদের বিরুদ্ধে মজলুম বাঙালির সংগ্রাম। আজ বাঙালির মতই মজলুম তার নৃতাত্ত্বিক আত্মীয় রোহিঙ্গা। তাদের পাশে না দাঁড়ালে আপনার মানুষ সত্ত্বা আর থাকেনা । প্রাচ্যনিউজ মানবতা ও মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে। তাই আমরা রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার সুরক্ষার পক্ষে। আপনি?
বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে মজলুম রোহিঙ্গাদের পক্ষে সমর্থন তৈরি হোক। মানবতার গণজাগরণে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পতন ঘটুক। মানুষের জয় হোক। রোহিঙ্গারা মুক্তি পাক শত বছরের অত্যাচার থেকে। মানবতা প্রাণখুলে নিঃশ্বাস নিক বার্মিজ বর্বর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পটাকে সত্য ও প্রতিবাদের মাধ্যমে ধ্বসিয়ে দিয়ে।
লেখকঃ মঈনুল রাকীব , উপসম্পাদক, প্রাচ্যনিউজ ডটকম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *