আপনি এখানে
প্রচ্ছদ > সাহিত্য > কবিতা

বঙ্গবন্ধুর প্রয়াণ দিবসে সপ্ত-শোককাব্য

বিষাদস্বদেশ কেন বিষাদে গ্রাস করেছে এ বঙ্গভূমি? কেন এলে আগস্ট ক্ষেতের ফসল কাঁদে এই বাংলার কেন তপ্ত রোদে মাথাল ফেলে কৃষকের ব্যাজার মুখে কথা নেই কেন আগস্ট এলে ধানমন্ডির ব্যথা তরঙ্গাকারে প্রবাহিত হয়- বাঙালির প্রাণে? জানে ,বঙ্গজননী তা জানে। ১৪ আগস্ট, ২০১৬। ২। ক্ষমা করো,স্থপতি তুমি রেখে গেলে পরম একা করে এ জাতিকে নিয়ে গেলে রাজ্যের সব আস্থা এখনো তোমার দৃপ্ত কন্ঠ কিশোরের রক্তে

কবি খালেদ হোসাইনের ‘চিকিৎসা’র সাথে দুটি কবিতা

কবি খালেদ হোসাইনের ত্রিকাব্য: ১. বাগাড়ম্বর বাঁচায় না বা অস্থিপেশীসংস্থান ধনে-পাতা ক্ষেতের আলে কাকতাড়ুয়া ক্লান্ত সিঁড়ির নিচে মাটির ঘর— বিস্মৃত সিদ্ধান্ত। টায়ার-পোড়া ধোঁয়ায় ভাসে কাঠের বাড়ির দৃশ্য তর্জনে গর্জনে হয় প্রাণশক্তি নিঃস্ব। কবিতা হয় নানা রকম শুনেই ওঠ চমকে যেন তোমার দহলিজে দেখতে পেলে যমকে। বাগাড়ম্বর বাঁচায় না বা অস্থিপেশীসংস্থান মাথার বোঝাটাকে তুমি ভাবছ সোনার শিরস্ত্রাণ। মিশ্ররঙের চিত্রকলায় বিমূর্ত কাঠ-খড়ি ছাতিমতলায় মৃগনাভি আমরা খুঁজে মরি। ২. তোমার হৃৎস্পন্দনে আমার অস্তিত্বের ইশারা দেখো, কোনো

কবি খালেদ হোসাইনের ‘মুজিব, তোমার জন্মদিন’

খালেদ হোসাইন মুজিব, তোমার জন্মদিন! দিগ্বিদিক আজ রঙিন আজ তোমার জন্মদিন! পর-দেশের শাসন-ভার সহ্য করা যায় না আর শতক যায় দুই-অধিক দেশ-ভাঙন হয় না ঠিক চাপলো ঘাড়ে পাকিস্তান সবুজ মাটি হয় শ্মশান মুখের ভাষা কাড়তে চায় বুক-শোণিতে মান বাঁচায় সোনার ছেলে বাংলা মা’র-- ঘোচাতে সব অন্ধকার। চুয়ান্নতে নির্বাচন হলো যখন বীর-বাছন ঘাবড়ে গেল পাকিস্তান ক্ষিপ্ত হয়, হয় নাদান। আমার যত দেশের আয় চোখ রাঙিয়ে সকল খায় রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল বাদ থাকে

তুমি নারী বলেই

তুমি নারী বলেই সভ্যতার ভাঙা পাঁজর জোড়া লাগিয়েছো তুমি, পৃথিবীকে করেছো উর্বর,মায়া ও মমতা ঢেলেছো দুহাতে স্নেহ ও ভালবাসার অদ্বিতীয় উত্‍স হয়ে এসেছো মা হয়ে,বোনের বেশে,কন্যার সাজে, অপার্থিব প্রণয়িণী এক দেহে এত কিছু সম্ভব তুমি কেবল নারী বলেই। তুমি নারী বলেই তীব্র খরায় আঁচলের ছাউনীতে ক্লান্ত পুরুষকে বাতাস করো, যুদ্ধে কি শান্তিতে, আবেগ কি বাস্তবতায় তুমি- মনে আর বাহুতে

বজ্রকণ্ঠে মুক্তিবার্তা

ভুবন জেনেছিল মানুষের কন্ঠে বজ্রপাত হয় কেঁপে ওঠে শোষকের গদি,সন্ত্রস্ত্র হয় ক্যান্টনমেন্ট, সাড়ে সাত কোটি প্রাণে ঝলক দেয় ভুবন জেনেছিল কারো কন্ঠে বজ্রপাত হয় । পুরো জগত্‍ দেখেছিল কথা কিভাবে একে-৪৭ হয়ে আসে ট্যাংকের সামনে বারুদ হয় শব্দগুচ্ছ, শ্লোগানবোমা ফাঁটায় মঞ্চের জনতা, পৃথিবী দেখেছিল কোন বাঙালির ভাষায় আগুন ঝরে, বজ্রপাত হয় কোন এক মানবের কন্ঠে, এক দুপুরে। ভুবন

কবিতায় ফেলানী

৭ জানুয়ারী ২০১১ সালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর গুলিতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কুড়িগ্রামের অনন্তপুর-দিনহাটা সীমান্তের খিতাবেরকুঠি এলাকায় ফেলানী খাতুন (১৯৯৬-২০১১) নামের এক কিশোরী নিহত হয়। বিএসএফ ১৮১ ব্যাটালিয়নের চৌধুরীহাট ক্যাম্পের জওয়ানদের এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়। ফেলানীর লাশ কমপক্ষে পাঁচ ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে ছিল।  বাবার সঙ্গে ফেলানী নয়াদিল্লিতে গৃহকর্মীর

কবি ফিরোজের মাতাল আর্তনাদ হৃদয়ে আঁচড় কেটে যায়

অার্তনাদ বসন্ত অাসে চলে যায় দেখি, দু'হাত বাড়িয়ে ডাকি রোজ, কৈ অাসো না তুমি? অনর্থক স্বপ্নগুলোর মিলন মালা দেখি, পথ পাবো সহ্য করি তাই অবিচার। কতো সকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা,রাত্রি গড়িয়ে প্রভাত, দেখি গ্রীষ্মেরর ঠনঠনে পথ ফেটে চৌচির, ফাঁকে ব্যাঙচি,মাকড়ষা জাল বোনে। একটু থমকে দাঁড়ায় , চোট পাবে বলে, ফের পথ চলা থেমে থাকার নয়, শেয়াল-শকুন-হায়ানা অাসে দেখি। অাজ এক হাতে

রোহিঙ্গা মরলে কাঁদেনা কেউ, কেউনা

রোহিঙ্গা মরলে কাঁদেনা কেউ, কেউনা , কেউনা নাফের তীরে মানব সভ্যতা খুন হয় বার্মিজ শয়তানের বাচ্চাদের হাতে আহা ! কেউ আসেনা বৌদ্ধ সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় যদি রাগ করে বড় ভাই গণচীন যদি মিনমিন করে পাজি মার্কিন বেহায়ার মত চুপ এখন রাশিয়া ও পুতিন সুকি শূকরনী থেকে সুদি ডইউনুস সব ভন্ড, সব গন্ড, ইবলিশ দন্ড জাতি ধ্বসে যায় আরাকানে জাতি

উত্তরায় দুটি আড্ডা

মারুফ রায়হান, অতিথি লেখক উত্তরায় আছি ২০০৪ থেকে। উপলক্ষ ছাড়া খুব একটা যাওয়া হয় না কারু বাসায়। ক’দিন আগে কবি মোহাম্মদ রফিকের বাসায় হুট করে চলে যাওয়া। বড় ছেলে শুভ ছিলেন উপস্থিত, বাবাকে সময় দিতে সম্প্রতি এসেছিলেন নিউইয়র্ক থেকে। রফিক ভাইয়ের শরীর বেশ ভালোই আছে দীর্ঘদিনের সঙ্গী ডায়াবেটিস আর উচ্চ রক্তচাপ ‘উপেক্ষা’

আশিক রণ’র কবিতা যুগল

১। যুগলবন্দী প্রেম বিলীন হয় শিল্পিত অভিমানে মাথায় জমেছে পোকা হৃদয়ে পড়েছে চোরা- কবিতার দাগ লতানো থামের স্মৃতি মিলিয়ে যায়না রঙধনুর মতো খুব কোমল স্বরে বেজে ওঠে মিষ্টি একটু ব্যথা। আমিওতো লিখে যাই প্রথম পুরুষের ন্যায় নাকি তিনি লিখতেন আমারই মতোন! জেনেছি- পুরুষ কখনো নিরক্ষর নয়, প্রত্যেক পুরুষই যেমন প্রথম কবি প্রত্যেক নারী তেমন মহাকাব্যিক পাতা। তুমি আছো

উপরে