আপনি এখানে
প্রচ্ছদ > ২০১৬ > জানুয়ারী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাহেন্দ্রক্ষণে

১২ জানুয়ারি ,  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫ তম প্রতিষ্ঠা দিবস। অনিন্দ্য সুন্দরী এ বিদ্যাজননীর মায়াক্রোড়ে যারা পুনর্জন্ম লাভ করেছেন বা নতুন করে আশ্রয় নিয়েছেন তাদের সবার জন্য এ দিনটি বিশেষ আবেগও আবেদনের। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ বিদ্যা পীঠের আলো বাতাসে কতজন ঋদ্ধ হয়েছেন তার হিসেব রাখবে মহাকাল। আজ এই শুভলগ্নে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবির ও সংকটের দিনগুলো

২০১১ সালের ২১ ডিসেম্বর আমরা ৪১ তম আবর্তন ক্যাম্পাসে আসি।এসেই দেখি শিক্ষার্থীদের জীবনে সংকটের অশনী সংকেত।যে ঘটনা ঘটে ব্যক্তিগত আক্রোশে তা চাপিয়ে দেয়া হয় উপাচার্য ও একটি ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠনের উপর।খুব কাছ থেকে আন্দোলন,তার নানা মাত্রা আমরা দেখেছি।তা ছিল সোনালী জাহাঙ্গীরনগরের অন্তরায়। সেই সব ঘটনা নিয়ে কয়েকটি কথা লিখবো। ১। নিঃসন্দেহে জুবায়ের হত্যাকান্ড

৩৩ এর গল্পটি

২০১০ সালে চিলির কোপিয়াপো শহরের সান জোসে খনি দুর্ঘটনায় আটকে পড়া সেই ৩৩ শ্রমিকের কথা মনে আছে?৬৯ দিন ভূগর্ভে মৃত্যুর একেবার কাছে চলে যাওয়া সেই শ্রমিকদের জীবন বাঁচানো নিয়ে একটি চলচ্চিত্র আছে। নাম The 33 (স্প্যানিশ Los 33)। দেখে চোখে জল চলে আসে, আবার অনুপ্রেরণাও যোগায়।ছবিটি পরিচালনা করেছেন মেক্সিকান নারী

আমেরিকায় কেন্দ্রিয় সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ

মার্কিন যুত্তরাষ্ট্রের নেভাদা (Nevada) অঙ্গরাজ্যের অরিগনে (Oregon) খামার মালিক ক্লিভেন বান্ডি (Cliven Bundy),তার ভাই ও তিন সন্তান কয়েকশ সশস্ত্র বিপ্লবী সহকারে সরকারী একটি অফিস দখল করে নিয়েছে।অরিগনের মলহার ওয়াইল্ড ন্যাশনাল রেফিউজে কতজন বিদ্রোহী অবস্থান করছে তা মার্কিন মিডিয়া প্রকাশ করছেনা। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলো আমেরিকাসহ পশ্চিমা মিডিয়ার অন্ধ অনুসরণের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে

মেট্রোরেল নিয়ে যে চিন্তা আটকে যাচ্ছে হলের ছাদে

এরশাদ আমলের ঘটনা। হাজী মুহম্মদ মুহসিন হলের আকাশ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে একটি হেলিকপ্টার। সশস্ত্র এক ছাত্রের এতে ভারী রাগ হয়ে গেল। মহাপতঙ্গের দিকে এক রাউন্ড গুলি করে ওই ছাত্র তার রাগ মিটিয়ে ছিলেন বলে জানা যায়। এ মজার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আমি নই, কারণ তখন আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, মায়ের হাত ধরে হয়ত

যে ছেলেটির কথা ইতিহাস বলেনা

হতাশার দারুন ছাপ নিয়ে শ্রেণীকক্ষের শেষ অথবা তার আগের বেঞ্চে বসে থাকা ছেলেটির কথা কেউ বলেনা,কেউ শোনেনা,প্রভাষণ তার মাথা চীরে বেরিয়ে যায় দারিদ্রের কষাঘাতে,পোশাকের বাহার না থাকায় পাশের বেঞ্চের মেয়েটিও ফেরেনা,আড্ডায় ডাকেনা তাকে, বিকৃত ভীণদেশী গান না জানায় চুপিচুপি সরে পড়ে সে, প্রথম দিন থেকে ভাল লাগা নারীকে কখনো সে বলতে পারেনি, এই,আমি তো তোমাকে ভালবাসি

আদরীরর জন্মে কোন পাপ ছিলনা

এটি একটি সাদাসিধে গল্প।এতে একফোঁটা রস নেই,কস নেই।গল্পটি আমি শুনেছিলাম আদরীর কাছ থেকে। আদরীকে নিশ্চয়ই আপনারা চেনেননা,চেনার কথাও না। আদরী কোন সেলিব্রেটি না, সে কোন ধনীর দুলালীও না । তাই আদরীকে না চিনলে আপনাদের কিছু যায় আসেনা। আদরী গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করা দিনমজুর ও গৃহকর্মী সুফিয়ার ১৩ বছরের বাবা মরা

উপরে